আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি বাংলাদেশি ব্যবহারকারী সেরা বেটিং অভিজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য — নিরাপদে, বাংলায়, নিজের মোবাইল থেকে।
ace67 কিসের জন্য কাজ করছে — সেটা জানুন
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষকে নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং আনন্দদায়ক অনলাইন বেটিং অভিজ্ঞতা দেওয়া। প্রযুক্তির সাহায্যে ভাষার বাধা দূর করে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য বিশ্বমানের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও প্রিয় অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া। আমরা চাই ace67 শুধু একটা বেটিং সাইট না হয়ে — বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমী ও স্পোর্টস ভক্তদের মিলনস্থল হোক।
প্রতিটি সদস্যের নিরাপত্তা, গোপনীয়তা এবং সন্তুষ্টি ace67-এর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। দায়িত্বশীল গেমিং প্রচার এবং স্বচ্ছ পেআউট নিশ্চিত করা আমাদের অঙ্গীকার।
আমাদের বিশেষ সুবিধাগুলো যা অন্যদের থেকে আলাদা করে
ace67 যে নীতিগুলো মেনে চলে
ace67 আন্তর্জাতিক গেমিং কমিশনের নিবন্ধিত এবং লাইসেন্সধারী প্ল্যাটফর্ম। আমাদের সমস্ত কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানের নিয়মকানুন মেনে পরিচালিত হয়। ব্যবহারকারীদের তহবিল আলাদা সুরক্ষিত অ্যাকাউন্টে রাখা হয়।
ace67 বিশ্বাস করে বেটিং বিনোদনের জন্য, আসক্তির জন্য নয়। তাই আমরা ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন ও কুলিং অফ পিরিয়ডের মতো সরঞ্জাম বিনামূল্যে দিই।
২০২০ সালে যখন ace67-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল, তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংয়ের সুযোগ থাকলেও বাংলাদেশিদের জন্য সত্যিকার অর্থে উপযুক্ত কোনো প্ল্যাটফর্ম ছিল না। বিদেশি সাইটগুলো ইংরেজিতে, পেমেন্ট পদ্ধতি ডলারে, সাপোর্ট টিম বিদেশিদের জন্য। একজন সাধারণ বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর কথা কেউ ভাবেনি।
ace67-এর প্রতিষ্ঠাতারা নিজেরাও ক্রিকেটপ্রেমী। তারা বুঝতে পেরেছিলেন — বাংলাদেশে ক্রিকেটের প্রতি মানুষের যে আবেগ, সেটাকে একটা নিরাপদ ও আনন্দদায়ক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়া দরকার। সেখান থেকেই ace67-এর জন্ম।
ace67 তৈরির শুরু থেকেই বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রাখা হয়েছে। বিকাশ ও নগদে পেমেন্ট, বাংলায় ইন্টারফেস, BPL ও ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের বেটিং মার্কেট — এগুলো কোনো আফটারথট না, এটা ace67-এর মূল পরিকল্পনার অংশ ছিল।
গত পাঁচ বছরে ace67 বাংলাদেশে ৫০ লাখেরও বেশি সদস্যের বিশ্বাস অর্জন করেছে। এই সংখ্যাটা একদিনে আসেনি — প্রতিটি পেআউট সঠিক সময়ে দেওয়া, প্রতিটি অভিযোগ সমাধান করা, প্রতিটি বোনাসের প্রতিশ্রুতি রাখার মাধ্যমে এই বিশ্বাস তৈরি হয়েছে।
ace67 প্রযুক্তিতে ক্রমাগত বিনিয়োগ করে যাচ্ছে। লাইভ বেটিং ইন্টারফেস, রিয়েল-টাইম অডস আপডেট, দ্রুত পেআউট সিস্টেম — এই সবকিছু ace67-এর নিজস্ব প্রযুক্তি টিম তৈরি করেছে এবং ক্রমাগত উন্নত করছে।
মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা বিশেষভাবে মাথায় রাখা হয়েছে। বাংলাদেশে অধিকাংশ ইন্টারনেট ব্যবহার মোবাইলে হয়, তাই ace67-এর ওয়েবসাইট ও অ্যাপ মোবাইলে সবচেয়ে ভালো কাজ করে। লো-ব্যান্ডউইথ কানেকশনেও যেন ভালো অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়, সেটা নিশ্চিত করা হয়েছে।
ace67-এর পেছনে আছে বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রযুক্তিবিদ, ডিজাইনার, গেমিং বিশেষজ্ঞ ও কাস্টমার সার্ভিস পেশাদারদের একটি দল। দলটির বড় অংশই বাংলাদেশি, যারা নিজেরাই ক্রিকেটপ্রেমী — তারা জানেন বাংলাদেশি ব্যবহারকারী কী চান।
২৪ ঘণ্টা সাত দিন বাংলায় কাস্টমার সাপোর্ট দেওয়া ace67-এর একটি বড় বিনিয়োগ। কারণ আমরা বিশ্বাস করি — সমস্যা যখন হয়, তখন দ্রুত সাড়া পাওয়াটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ace67 শুধু বেটিংয়ে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। লাইভ ক্যাসিনো, ভার্চুয়াল স্পোর্টস, ই-স্পোর্টস বেটিং — এই সব ক্ষেত্রে ace67 আরো বিস্তৃত হচ্ছে। তবে মূল প্রতিশ্রুতি একটাই থাকবে — বাংলাদেশের মানুষের জন্য সেরা অভিজ্ঞতা।
ace67-এর পেছনের মানুষেরা
এবং আরো ৩০০+ দলের সদস্য যারা প্রতিদিন ace67-কে আরো ভালো করতে কাজ করছেন।
যেকোনো প্রশ্ন বা সহায়তার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত
যেকোনো অভিযোগ বা প্রশ্নের জন্য
support@ace67-baji.com
তাৎক্ষণিক সাহায্যের জন্য
২৪/৭ বাংলায় সাপোর্ট
৫০ লাখেরও বেশি সদস্য ইতিমধ্যে ace67-এ নিবন্ধন করেছেন। এখনই যোগ দিন এবং ১৫০% ওয়েলকাম বোনাস পান — শুধু প্রথম ডিপোজিটে।
⚠️ ১৮ বছরের নিচে নিবন্ধন নিষিদ্ধ। দায়িত্বশীলভাবে খেলুন।